Hyper Teem

যেভাবে পৃথিবীতে জীবন শুরু হয়

হ্যালো বন্ধুরা। কেমন আছো তোমরা। আবারো তোমাদের জানাচ্ছি অসংখ্য ধন্যবাদ। আজকে তোমাদের জন্য আরেকটি ফ্রেশ পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আশা করি আজকে তোমরা অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবে।

মানুষের বর্তমান জীবন

বর্তমানে আমরা বিজ্ঞান ছাড়া কিছুই করতে পারিনা। আপনার কি খেয়াল করেছেন আমরা মানুষ্যা আজ কত আধুনিক হয়ে উঠেছি। আমরা পৃথিবীর বাইরে যেতে পারি। পৃথিবী থেকে পৃথিবীর বাইরে গ্রহ নক্ষত্র দেখতে পারি। আমাদের কাছে এমন অনেক যন্ত্র আছে যা আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা মাধ্যমে আমরা আমাদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারি। আমরা আমাদের যন্ত্রের মাধ্যমে দেখতে পারি কোন একটি বস্তু অতীতে কিরকম ছিল। চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমরা খুব উন্নত হয়ে উঠেছি। চিকিৎসা ক্ষেত্রে এখন মানুষের চিকিৎসা করতে হয়না। বিভিন্ন ধরনের রোবটের অনেক নিখুঁতভাবে চিকিৎসা করে থাকে। আমরা সব ধরনের রোগের ওষুধ বানাতে সক্ষম হয়েছে। দূরের নক্ষত্রগুলো তথ্য জানতে আমরা সক্ষম হয়েছি।

পৃথিবীতে আমরা মানুষেরা অনেক সময় পার করে ফেলেছি। আর এই পৃথিবীতে কয়েক হাজার বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের প্রাণীরা আশ্রয় পেয়ে এসেছে। এখনো তারা আশ্রয় পেয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এই পৃথিবীতে প্রায় 87 লক্ষ হাজার প্রাণী রয়েছে। আর এ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা প্রায় 15 শতাংশ প্রাণীদেরই খুঁজে পেয়েছে।

আপনারা কখনো ভেবেছেন এই প্রাণী গুলো পৃথিবীতে কিভাবে এসেছে। কিভাবে শুরু হল এ প্রাণীগুলো জীবন। এগুলো যদি আমাকে জানতে হয় তাহলে আমাদের চলে যেতে হবে একদম শুরুর দিকে। যখন পৃথিবী শুরু হতে যাচ্ছিল।

4000 বিলিয়ন বছর আগে

আজ থেকে মিনিমাম সাড়ে চার হাজার বিলিয়ন বছর আগে একটি আগুনের তৈরি বিশাল বড় বল একটি তারা কে প্রদক্ষিণ করে ঘুরছিল। উপরস্থ শুধু লাভ হয়েছিল। বলতে গেলে একই লাভা দিয়ে তৈরি হয়েছিল। এটাতে জীবনের কোনো চিহ্ন ছিল না তখন।প্রায় কয়েক হাজার বছর পর আমাদের গ্রহের মানে এই পৃথিবীর তাপমাত্রা কিছুটা ঠান্ডা হতে শুরু করে। এর উপর আস্তে আস্তে গরম ধুলাবালির আস্তরণ তৈরি হতে শুরু করে।

প্রায় 3.9 মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী আবারো একটি লাভা পিন্ডে পরিণত হয়। তারপর পৃথিবীর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের এসিড এবং উল্কাপিন্ডের বৃষ্টি হতে থাকে। প্রতিদিন প্রায় অনেক উল্কাপিণ্ড পৃথিবীতে এসে পড়তো। এই পোকা ফিল্ডগুলো ভিতর কিছু আশ্চর্য অবাক করা জিনিস ছিল। বরফের ক্রিস্টাল নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিল এই উল্কাপিণ্ড গুলো। যা পরবর্তীতে পৃথিবীতে সমুদ্রের তৈরি হয়। আরে ও কাবিল গুলো সাথে সাথে পৃথিবীতে নাটোরের গ্যাস নিয়ে এসেছিল। ওই সময় তখনো কোন প্রাণের অস্তিত্ব সৃষ্টি হয়নি। তখনও কোন জীব সৃষ্টি হওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি হয় নি। এই সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস আবৃত ছিল। অক্সিজেন ছিলনা। ফটো ক্যাসে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভরে গেছিল।

3.7 বিলিয়ন বছর আগে

তারপর আবার 3.7 মিলিয়ন বছর আগে আমাদের এই পৃথিবীতে আবার আগের মত উল্কাপিণ্ড এসে পড়ে। দিনে এরকম হাজার বারের মতন উল্কাপিণ্ড এসে পড়তো। কিন্তু এবার উল্কাপিন্ডের সাথে কিছু অমূল্য রত্ন নিয়ে এসেছে এই পৃথিবীর জন্য।

যা পৃথিবীতে কিছুদিনের মধ্যে প্রাণ দিবে। এই উল্কাপিণ্ড গুলো নিজেদের সাথে খনিজ লবণ নিয়ে এসেছিল। এইগুলো পরে সমুদ্রের তলদেশে প্রবেশ করে। কিন্তু সে সময় পৃথিবীর তাপমাত্রা খুবই কম ছিল। সমুদ্রের পানি ও অনেক ঠান্ডা ছিল। কিন্তু সমুদ্রের একদম তলদেশে প্রাকৃতিক কিছু কিছু গরম লাভার চিমনি ছিল যা সমুদ্রের পানিকে অনেকটা গরম রাখত।

আর এখানেই পৃথিবীর মধ্যে সর্বপ্রথম জীবের সৃষ্টি হয়। জীবন শুরু হয় এখান থেকে। আর এখানে সর্বপ্রথম জন্ম নেয় এককোষী প্রাণী। তারপর তার নিজের মনের ভিক্ষা করে অনেকগুলো এককোষী প্রাণী সৃষ্টি হয়েছে। কিভাবে সমুদ্রের পানিতে এককোষী প্রাণী তে ভরে গেছিল। অনেক বছর পর এগুলো বিকশিত হয়ে বিভিন্ন ধরনের সামগ্রিক বড় বড় প্রাণীতে পরিণত হয়েছে। অনেকে আবার পানি থেকে স্থলভূমিতে উঠে এসে নিজেদেরকে বিকশিত করতে পেরেছে। আর এভাবে আস্তে আস্তে পৃথিবীতে জীবের উৎপত্তি হয়েছে।

3.5 বিলিয়ন বছর আগে

আজ থেকে প্রায় 3.5 বিলিয়ন বছর আগে সমুদ্রের মধ্যে এই এককোষী প্রাণী অর্থাৎ এই ব্যাকটেরিয়া গুলোর সংখ্যা এতই বেড়ে গিয়েছিল যে নিজেদের মধ্যে যুক্ত হয়ে পাথরের মতন বদলে গিয়েছিল। যার নাম বিজ্ঞানীরা দিয়েছেন ইস্ট বোমাটা লাইট।

এই ব্যাকটেরিয়া গুলো সূর্যের আলোর স্পর্শ পেয়ে খাবার তৈরি করত যাকে আমরা বলতাম সালোকসংশ্লেষণ। আরে বোকা মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়াগুলো এক ধরনের বায়ু নির্গত করত পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে। যার নাম ছিল অক্সিজেন। যা পৃথিবীর জন্য একটি অমূল্য সম্পদ ছিল। যা পৃথিবী কে দিয়েছিল একটি নতুন জীবন। আর দুই মিলিয়ন বছর ধরে এই অক্সিজেনের পরিমাণ পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে বাড়তে থাকে। আর এভাবেই পৃথিবী বসবাসের যোগ্য হয়ে উঠে


তাহলে বন্ধুরা আজকের এই পোস্ট থেকে আশা করি তোমরা আরো নতুন কিছু জানতে পেরেছ এবং শিখতে পেরেছ নতুন কিছু। এরকম আরো সুন্দর সুন্দর পোস্ট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।পরবর্তীতে আপনারা যদি আর কোন কিছু সম্পর্কে জানতে চান সেটা কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানিয়ে দিবেন। আর আজকের পোস্টটি যদি অবশ্যই ভালো লাগবে তাহলে বন্ধুদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। ধন্যবাদ সবাইকে।

Share

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *