Hyper Teem

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কিছু কথা[২০১৯]

হ্যালো বন্ধুরা। কেমন আছো তোমরা। আশা করি তুমি ভালো আছো। আবারো তোমাদের মাঝে নিয়ে আসলাম ফ্রেশ একটি পোস্ট। যা থেকে তোমরা নতুন কিছু শিখতে পারবেন।

মার্কেটিং কি

এই শব্দটির সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত। কমবেশি আমরা সবাই জানি শব্দটি সম্পর্কে। আবার অনেকে হয়তো বা এটি সম্পর্কে জানেনা।

অনেকে মনে করে মার্কেটিং হচ্ছে মার্কেটে গিয়ে কেনাকাটা করা। আসলে কি তাই? একদম না। মার্কেটিং হচ্ছে আপনার কোন পণ্য প্রচার করা। আপনার ক্রেতা তৈরি করা।

আর এই কাজগুলো আপনি যখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে বসে করবেন তখন সেটা নাম হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। এইবার মনে হয় একটু ক্লিয়ার হয়েছে মোটামুটি।

চলুন এবার ভালো ভাবে ক্লিয়ার করে নেই।

মার্কেটিং দুই ধরনের।

  • ইন্টারনেট মার্কেটিং
  • ডিজিটাল মার্কেটিং

ইন্টারনেট মার্কেটিং

নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এটা ইন্টারনেটে কাজ করা হয়। হ্যাঁ এটা ঠিক যে এইটা ইন্টারনেটে কাজ করা হয়। কিন্তু এটা প্রক্রিয়া অন্যরকম।

আপনি যখন নিজের কোনো পণ্য অথবা সার্ভিস বিক্রি ও প্রমোশনের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন তখনই এটি হয়ে যায় ইন্টার্নেট মারকেটিং।

ডিজিটাল মার্কেটিং

এই মার্কেটিংয়ে কাজটাও অনেকটা একি। আপনি যখন অন্য কারো প্রোডাক্ট অথবা সার্বিক বিক্রয় ও প্রমোশনের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন তখন সেটা হবে ডিজিটাল মার্কেটিং।

এইবার মনে হয় আপনাদের মার্কেটিং সম্পর্কে ভালো একটা ধারণা হল।

আপনি যদি ভেবে থাকেন যে আপনি মার্কেটিং করবেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই এফিলিয়েট সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিতে হবে।

এফিলিয়েট সম্পর্কে তিনটি টপিক

আপনি যদি চিন্তা করে থাকেন যে আমিও এফিলিয়েট মার্কেটিং করবো, তাহলে আমি আপনাকে বলব যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার আগে এই তিনটি টপিক সম্পর্কে আপনি আগে ভালোভাবে জেনে নিন।কারণ কোনো কাজ করার পূর্বে ওই কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিলে কাজের সফলতা বাড়ে। এবং আগ্রহ সৃষ্টি হয়। তাহলে চলুন এই তিনটি টপিক নিয়ে ভালভাবে জেনে নেই।

১।নিশ

২। কোথায় ও কিভাবে আপনার পছন্দের নিশ থেকে ভাল মানের প্রডাক্ট পাবেন।

৩। কিভাবে সেই প্রোডাক্টটি অনলাইনে মার্কেটিং করে কমিশন আয় করবেন।

মার্কেটিং করার আগে এই তিনটি জিনিস জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে চলুন এবার এই তিনটি জিনিস সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।

নিশ কি আসলে

নিস আসলে কি? অনেকে অনেক ভাবে বলে থাকে। আমি বলব নিস হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রি। অর্থাৎ আপনি তো আপনার চারপাশে দেখতে পারবেন বিভিন্ন ধরনের দোকান রয়েছে। যেমন খাবারের দোকান, মুদির দোকান ইত্যাদি। এগুলো হল এক একটি ইন্ডাস্ট্রি। ইন্টারনেট যখন চালান আপনি তখন হয়তোবা লক্ষণ করবেন ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ধরনের ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে। যেমন: খাবার অর্ডার করার ওয়েবসাইট, কেনাকাটা করার ওয়েবসাইট ইত্যাদি। এখন আপনি কখন ইন্ডাস্ট্রি আর কখন নিস বলবেন? আপনার কাজটা যদি অফলাইন হয় তাহলে তখন আপনি ইন্ডাস্ট্রি বলতে পারবেন।আর আপনার কাজটি যদি অনলাইন হয় তখন সেটাকে আপনি নিস বলতে পারবেন।

পছন্দের নিশ থেকে ভালো মানের কমিশন

আপনি যখন গুগলে কোন প্রোডাক্টে জন্য সার্চ করবেন তখন আপনার ওই পছন্দের প্রোডাক্ট অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ইন্ডাস্ট্রি আসবে। যেখানে আপনার পছন্দের নিশো রয়েছে। গুগোল এরকম প্রায় একশটি মতন ভালো ভালো ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে। আপনি ওদের মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট খুললেও মার্কেটিং করার সুযোগ পাবেন। ইউটিউবে এরকম অনেক ভিডিও রয়েছে আপনি চাইলে এখান থেকে দেখে শিখতে পারেন।

কিভাবে সেই প্রোডাক্টটি অনলাইনে মার্কেটিং করে কমিশন আয় করবেন

আমি জানিনা আপনারা বিশ্বাস করবেন কিনা, আমি মার্কেটপ্লেসে প্রায় আট বছর ধরে আছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই প্রোডাক্ট মার্কেটিং করা শিখতেছি।কিন্তু এখনো মনে হয় যে কিছু শেখা হয়নি আরো শেখার বাকি আছে।

আপনার পণ্যটি আপনি দুইভাবে মার্কেটিং করতে পারবেন।

১। আপনার প্রোডাক্ট কি আপনি ডাইরেক্ট কাস্টমার দিয়েছেন পেজে পাঠিয়ে পণ্যটি বিক্রি করতে পারেন। এটা হচ্ছে ডাইরেক্ট মার্কেটিং।

২।আর আরেকটি হচ্ছে আপনার ইন্ডাস্ট্রিতে আপনি প্রোডাক্ট এর গুণগত মান দিয়ে সব ধরনের সমস্যা নিয়ে তারপর ক্রেতাদের কাছে পণ্য বিক্রি করা। আর এটাকে সেলস ফানেল বলে।

আশাকরি মার্কেটিং সম্পর্কে তোমরা আগের থেকে অনেকটা ক্লিয়ার ধারণা পেয়েছো।


তাহলে বন্ধুরা আজকে আশাকরি মার্কেটিং নিয়ে তোমরা নতুন কিছু জানতে পেরেছো।এরকম আরো নতুন নতুন কিছু সম্পর্কে জানতে আমাদের সাথে থাকুন। আর যদি কোনরকম কোশ্চেন থাকে সেটা কমেন্টে জানিয়ে দিবেন। আর পোস্টটি ভাল লাগলে অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। আপনাদের সকলের জন্য আমার দোয়া রইল, আপনারা মার্কেটিংয়ের সফল হবেন ইনশাল্লাহ।

ধন্যবাদ সবাইকে

Share

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *